অর্থনৈতিক মন্দার সময় কোন দেশের প্রজাতান্ত্রিক সরকার জনপ্রিয়তা হারায়?

Updated: 1 year ago
  • ক
    জার্মানির
  • খ
    ইতালির
  • গ
    রাশিয়ার
  • ঘ
    জাপানের
535
ব্যাখ্যাঃ

অর্থনৈতিক মন্দার সময় জার্মানির প্রজাতান্ত্রিক সরকার (ওয়াইমার প্রজাতন্ত্র) ব্যাপক জনপ্রিয়তা হারায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওয়াইমার প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা শুরু থেকেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সম্মুখীন হয়।

১৯২৯ সালের মহামন্দা জার্মানির অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। এর ফলে ব্যাপক বেকারত্ব, মুদ্রাস্ফীতি এবং দারিদ্র্য দেখা দেয়। এই চরম অর্থনৈতিক সংকটের কারণে জনমনে প্রজাতান্ত্রিক সরকারের প্রতি অসন্তোষ চরমে পৌঁছায়। জনগণ সরকারের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলে এবং এর ফলস্বরূপ নাৎসি পার্টির মতো উগ্রপন্থী দলগুলোর উত্থান ঘটে, যা পরবর্তীতে হিটলারের ক্ষমতা দখলের পথ সুগম করে।

        
  • জার্মানি: ১৯২৯ সালের মহামন্দায় জার্মানির ওয়াইমার প্রজাতন্ত্র সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অর্থনৈতিক সংকট এবং মুদ্রাস্ফীতি সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাসের মূল কারণ ছিল।
  •     
  • ইতালি: সে সময় ইতালিতে বেনিটো মুসোলিনি'র ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতায় ছিল, যা রাজতন্ত্রের অধীনে পরিচালিত হলেও গণতান্ত্রিক বা প্রজাতান্ত্রিক সরকার ছিল না।
  •     
  • রাশিয়া (সোভিয়েত ইউনিয়ন): ১৯১৭ সালের বিপ্লবের পর রাশিয়া একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এর অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনীতির থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন ছিল, তাই বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব এখানে ভিন্নভাবে কাজ করেছিল। এটি একটি প্রজাতান্ত্রিক সরকার ছিল না।
  •     
  • জাপান: জাপানে সম্রাটকেন্দ্রিক সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রচলিত ছিল। যদিও জাপানও মন্দার কবলে পড়েছিল, তবে সেখানে একটি প্রজাতান্ত্রিক সরকারের জনপ্রিয়তা হারানোর বিষয়টি জার্মানির মতো প্রকট ছিল না।
Satt AI
Satt AI
3 months ago

The Rise of Hitler and Mussolini and the Second World War

হ্যারি এস. ট্রুম্যান (Harry S. Truman 1884-1972) (১৮৮৪-১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে রুজভেল্ট মারা গেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করেন। পররাষ্ট্রনীতিতে তিনি কঠোরতা অবলম্বন করলেও অভ্যন্তরীণ নীতিতে তিনি সহনশীল ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে তিনি মিত্রশক্তির হয়ে ফ্রান্সে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধ-পরবর্তীকালে দেশে ফিরে ব্যবসা করেন। ধীরে ধীরে ডেমোক্রেটিক পার্টির সক্রিয় সদস্য ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের কয়েক মাস পরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরাজিত শক্তি জার্মানি ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ৯ই মে মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বযুদ্ধে জাপানের মানসিকতা দেখে মনে হচ্ছিল যুদ্ধ বন্ধ হতে আরও এক বছর সময় লেগে যেতে পারে। যুদ্ধ দ্রুত অবসানের লক্ষ্যে ট্রুম্যান হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে আণবিক বোমা ফেলার নির্দেশ দেন।

তার এ নির্দেশের ফলাফল মানব ইতিহাসে ভয়াবহ ছিল। তিনি যুদ্ধোত্তর আমেরিকান অর্থনৈতিক বিন্যাসে সক্ষম হন। স্নায়ুযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক মতবাদ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে পরিচালিত কোরিয়া যুদ্ধে হস্তক্ষেপ, মার্শাল পরিকল্পনার উদ্ভাবন, ট্রুম্যান নীতি কার্যকর ও NATO গঠনের জন্য তিনি বিখ্যাত। কোরিয়া যুদ্ধে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা না করতে পারলেও তার সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি উচ্চপর্যায়ে ছিল।'

রবার্ট ওপেনহেইমার (Robert Openheimer 1904-1967) (১৯০৪-১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দ):
বিখ্যাত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী এবং এটম বোমার আবিষ্কারক জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহেইমার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু গবেষণা প্রকল্প ম্যানহাটান প্রজেক্টের পরিচালক হিসেবে প্রথম পরমাণু বোমা উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেন। আর সে কারণে তাকে এটম বোমার জনক বলা হয়। তিনি ঐ প্রকল্প থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য তিনটি এটম বোমা তৈরি করেন। প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই জুলাই নিউ মেক্সিকোর ট্রিনিটিতে। তার তৈরি ঐ বোমা আমেরিকা ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমায় নিক্ষেপ করলে হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়। এতে তিনি ভীষণ অনুশোচনা করেন।

এরপর তিনি শান্তিপূর্ণ কাজে পরমাণু প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তিনি United States Atomic Energy Commission-এর চেয়ারম্যান হন এবং তার লক্ষ্য পূরণের কাজ করেন।২

প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের অর্থনৈতিক সমস্যা জনসাধারণের দুর্দশাকে তীব্রতর করে তোলে। জনগণের অসন্তোষ বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেতে থাকে। গণতন্ত্রের ঐতিহ্যমণ্ডিত দেশগুলো উদ্ভূত সমস্যাসমূহের মোকাবিলা করতে সমর্থ হলেও অনেক দেশই গণতান্ত্রিক ভিত্তির দুর্বলতাজনিত কারণে তা করতে ব্যর্থ হয়। এরূপ পরিস্থিতিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষত জার্মানি ও ইতালিতে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে গণতন্ত্রবিরোধী একনায়কতন্ত্রের উদ্ভব হয়।

১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ভাইমার প্রজাতান্ত্রিক সরকারের উদ্দেশ্য ছিল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অধীনে যুদ্ধোত্তর জার্মানির পুনর্গঠন। কিন্তু প্রজাতান্ত্রিক সরকারের সাথে ভার্সাই সন্ধিসংশ্লিষ্টতা ও বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা থেকে দেশ ও জাতিকে উত্তরণে সরকারের ব্যর্থতা প্রভৃতি কারণে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও জাতীয়তাবাদী জার্মানদের মধ্যে সরকারের প্রতি বীতশ্রদ্ধ ভাব দেখা দেয়। এ সুযোগে হিটলার নানামুখী প্রচারণা চালিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করেন এবং নাৎসি পার্টির উত্থান ঘটান।

হিটলারের প্রচারণার বিষয়বস্তু ছিল ভার্সাই সন্ধির বিরোধিতা, জার্মান জাতির হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার, দেউলিয়া অর্থনীতির সংস্কার, শক্তিশালী সরকার প্রতিষ্ঠা, জার্মান জাতির ঐক্য, কমিউনিজম, ইহুদিবিদ্বেষ ইত্যাদি। তার উত্থানের মধ্য দিয়ে পৃথিবী আরেকটি ভয়াবহ যুদ্ধের মুখোমুখি হয়। প্রায় একই রকম পটভূমিকায় ইতালিতে মুসোলিনির নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপে এ দুই নেতার ক্ষমতালাভের ফলে গণতন্ত্রের পতন হয়, স্বৈরতান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। হিটলার ও মুসোলিনির আগ্রাসী নীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্লাটফর্ম তৈরি করে। ইউরোপে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে হিটলার ও মুসোলিনির নাম সমধিক প্রসিদ্ধ। তাদের কর্মকাণ্ড ইউরোপের ইতিহাসের গতিধারা নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে।

হিটলার ও মুসোলিনির উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ - স্যারে এর লেখা বই

Related Question

View All
  • ক
    হিরোশিমা ও ওকিনাওয়া
  • খ
    টোকিও ও নাগাসাকি
  • গ
    নাগাসাকি ও ওকিনাওয়া
  • ঘ
    হিরোশিমা ও নাগাসাকি
936
  • ক
    হিরোশিমা ও ওকিনাওয়া
  • খ
    টোকিও ও নাগাসাকি
  • গ
    নাগাসাকি ও ওকিনাওয়া
  • ঘ
    হিরোশিমা ও নাগাসাকি
1.1k
  • ক
    হিরোশিমা ও ওকিনাওয়া
  • খ
    টোকিও ও নাগাসাকি
  • গ
    নাগাসাকি ও ওকিনাওয়া
  • ঘ
    হিরোশিমা ও নাগাসাকি
956
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই